দৌলতপুরে বন্যার্তদের পাশে কৃষকদল নেতা আখতারুজ্জামান সজল

চিলমারী ইউনিয়নে ৫০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আগস্ট ১৯, ২০২৫ - 00:41
 0  19
দৌলতপুরে বন্যার্তদের পাশে কৃষকদল নেতা আখতারুজ্জামান সজল

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী ইউনিয়ন সাম্প্রতিক বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা গুলোর একটি। প্রবল স্রোতে নদীর পানি উপচে পড়ায় গ্রামাঞ্চলের ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। নষ্ট হয়েছে ফসলি জমি, বন্ধ হয়ে গেছে বহু গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা। হঠাৎ সৃষ্ট এ দুর্যোগে হাজারো পরিবার খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ঔষধ সংকটে ভুগছে। এমন সংকট মুহূর্তে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সম্পাদক (ত্রাণ ও পুনর্বাসন) মোঃ আখতারুজ্জামান সজল।

শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের খাঁপাড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ অসহায়, গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে তিনি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্য সহায়তার মধ্যে ছিল, ১ কেজি মুড়ি, ১ কেজি চিড়া, ১ কেজি বিস্কুট ও ওরস্যালাইন।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে জেলা কৃষক দলের সদস্য মোহাম্মদ নবাব আলী মাস্টার, দৌলতপুর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুজ্জামান রাজনসহ উপজেলা কৃষকদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রাণ গ্রহণ করতে আসা স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, কয়েকদিন ধরে তারা চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। খাদ্যসামগ্রী হাতে পেয়ে তারা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।

একজন স্থানীয় নারী বলেন, বন্যার কারণে ঘরে রান্না করার মতো কিছুই নেই। মুড়ি-চিড়া, বিস্কুট আর ওরস্যালাইন পাওয়ায় অন্তত বাচ্চাদের খাওয়াতে পারছি। এমন সহায়তা আমাদের জন্য বড় আশীর্বাদ।

ত্রাণ বিতরণের সময় কৃষকদল নেতা আখতারুজ্জামান সজল বলেন,

বানভাসি ৫০০ পরিবারের মাঝে আমরা এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছি। এবারের বন্যায় জনগণের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য, ঔষধ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। এমন দুর্যোগে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি আনন্দিত। যতদিন বন্যা থাকবে, ততদিন আমাদের এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু রাজনীতি নয়, মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই বড় কাজ। সমাজের বিত্তবানদেরও উচিত এ দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।

চিলমারী ইউনিয়নের মতো দুর্গত এলাকায় এমন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সাময়িক স্বস্তি এনে দিলেও বন্যার দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সময় লাগবে অনেক। তবে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সমাজের বিত্তবানরা যদি একযোগে এগিয়ে আসেন, তবে বন্যার্ত মানুষের দুঃখ-দুর্দশা অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব হবে।

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
মজার মজার 0
রাগান্বিত রাগান্বিত 0
দুঃখিত দুঃখিত 0
ওয়াও ওয়াও 0